‘আমরা পাগলের শহরে আছি’

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:০৬ | আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:১৪

অনলাইন ডেস্ক
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জন কেলি

হোয়াইট হাউজের চিফ অব স্টাফ জন কেলি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘নির্বোধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। হোয়াইট হাউজের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠককালে কেলি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। খবর ডেইলি মেইলের।

হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অপমান ও নিন্দার মতো ঘটনা ঘটছে বলে এক বইয়ে দাবি করেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড। এমনকি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক দক্ষতা পঞ্চম বা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মতো।

হোয়াইট হাউজে ছোট একটি গ্রুপের সঙ্গে বৈঠকে কেলি ট্রাম্পকে ‘নির্বোধ’ বলেছেন। এ সময় তিনি ট্রাম্পের মানসিক অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এমন তথ্য দিয়েই খবর প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন পোস্ট। কেলি বলেন, তিনি একজন নির্বোধ। তাকে কোনও বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা অর্থহীন। সে লাইনচ্যুত হয়েছে। আমরা এখন পাগলের শহরে আছি। আমি নিজেও জানি না, আমরা এখানে কী করছি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে জঘন্য চাকরি।

আরেক ঘটনায়, আলাস্কায় উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলায় মার্কিন পূর্ব সতর্কতা ব্যবস্থা নিয়ে জানতে চান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন প্রশ্ন করলে ম্যাটিস তাকে জ্ঞান দিয়ে বলেন, আমরা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হওয়া ঠেকাতে এই বৈঠক করছি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস পরে তার সহকর্মীদের বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক দক্ষতা একজন পঞ্চম বা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মতো। এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার অধীনস্থদেরও এক হাত নিয়েছেন বলে উডওয়ার্ড তার নতুন বইয়ে দাবি করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশন্সকে ধুয়ে দিয়েছেন। এমনকি সেশন্স যে অঞ্চল থেকে এসেছেন সেটি নিয়েও উপহাস করেছেন। এছাড়া রাশিয়া তদন্তে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টার জন্য সেশন্সকে বিশ্বাসঘাতকও বলেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এই ব্যক্তি (সেশন্স) মানসিক বিকারগ্রস্ত। সে দক্ষিণাঞ্চলীয় নির্বোধ। আলাবামায় তিনি রাষ্ট্রের একজন আইনজীবীও হতে পারেন না। উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন পোস্টের সাবেক দুই সাংবাদিক বব উডওয়ার্ড ও কার্ল বার্নস্টেইনের অনুসন্ধানেই ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারি ফাঁস হয়। যার ফলে পদত্যাগ করেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন।

পিডিএসও/হেলাল