এক দিনে দুই মায়ের কোলে ৭ নবজাতক

প্রকাশ : ২৩ মে ২০১৮, ১১:১৬

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীর মগবাজারের ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক দিনে দুই মায়ের গর্ভে সাতটি নবজাতকের জন্ম হয়েছে। গত সোমবার রাত ১২টার দিকে গাইনি বিভাগের অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমার অধীনে প্রসূতি মা সনিয়া আক্তারের গর্ভে চারটি ও সোমবার বিকেলে অধ্যাপক ডা. রুমানা শেখের অধীনে সুইটি খাতুনের গর্ভে অন্য তিন নবজাতক জন্মগ্রহণ করে। দুই প্রসূতি মা পোস্ট অপারেটিভ বেডে আছেন।

হাসপাতালটির গাইনি বিভাগ জানায়, সনিয়া আক্তারের চার নবজাতকের মধ্যে তিনটি ছেলেশিশু ও একটি কন্যাশিশু জন্ম নেয়। অপরদিকে সুইটি খাতুনের তিন নবজাতকের মধ্যে দুটি কন্যাশিশু ও ছেলেশিশু জন্ম নেয়। সুইটি খাতুনের সন্তানগুলো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করে। অন্যদিকে সনিয়া আক্তারের গর্ভে জন্ম নেওয়া নবজাতকরা সিজারের মাধ্যমে জন্মগ্রহণ করে।

সনিয়া খাতুনের গর্ভে জন্ম নেওয়া চারজন নবজাতকের মধ্যে প্রথমজনের ওজন ১ কেজি ৯০০ গ্রাম, দ্বিতীয় জনের ওজন ১ কেজি ৬০০ গ্রাম, তৃতীয় জনের ওজন ১ কেজি ৫৬০ গ্রাম ও চতুর্থ জনের ২ কেজি ১০০ গ্রাম। তবে প্রথম নবজাতকের রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়ায় তাকে রক্ত দেওয়া হয়েছে। তাদের চারজনকেই ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. রোজিনা আক্তারের অধীনে চিকিৎসাধীন। নবজাতকরা নিবিড় যতœ ইউনিটে (এনআইসিইউ) চিকিৎসাধীন।

সুইটি খাতুনের গর্ভে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনটি নবজাতককেই আইসিইউতে রাখা হয়েছে। এদের প্রথম জনের ওজন ৯০০ গ্রাম, দ্বিতীয় জনের ওজন ৯০০ গ্রাম ও তৃতীয় জনের ওজন ৭০০ গ্রাম।

গতকাল মঙ্গলবার এনআইসিইউর মেডিকেল অফিসার ডা. মো. সালাউদ্দিন বলেন, সনিয়া আক্তারের গর্ভে জন্ম নেওয়া চার নবজাতকের মধ্যে প্রথমটির রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়ায় রাতেই রক্ত দেওয়া হয়েছে। অন্য তিনটি নবজাতক তুলনামূলক ভালো আছে। কিন্তু সুইটি খাতুনের গর্ভে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিন নবজাতকের দুজনকেই ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের ওজনও কম। এর আগে মিসেস সনিয়া যমজ শিশুর গর্ভপাত ঘটিয়েছিলেন।

পিডিএসও/তাজ