ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক তেল

প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০১৮, ১৯:২৮ | আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৮, ১৯:৫৩

অনলাইন ডেস্ক

প্রায় সময়ই ত্বকের যত্নে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের পরামর্শ দেন চর্ম বিশেষজ্ঞরা । বাজারে যেসব প্রক্রিয়াজাত করা প্রসাধনী পাওয়া যায় তা অনেক সময়েই ত্বকের যত্নের বদলের উলটো ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই জেনে নিন এমন চারটি প্রাকৃতিক তেলের কথা যা আপনার ত্বকের যত্নে ব্যবহার করতে পারবেন।

সি বাকথর্ন : সি বাকথর্ন এক ধরণের ঝাড় জাতীয় গাছ। এই গাছটির তেলের ব্যবহার শহর অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে খুব একটা দেখা না গেলেও প্রাচীন মেডিকেল শাস্ত্রে এর ব্যাপক ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও ফ্যাটি এসিড থাকায় এই তেলের নিয়মিত ব্যবহার হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকে। ত্বকের পাশাপাশি চুল ও নখের যত্নে বেশ উপকারী সি বাকথর্নের তেল। এছাড়াও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং প্রদাহ প্রতিরোধক হিসেবে সুনাম আছে এই তেলের। 

মোরিঙ্গার তেল : মোরিঙ্গার তেল প্রাকৃতিকভাবে শীতল তাপমাত্রার হয়। প্রদাহ প্রতিরোধে বেশ সহায়ক এই তেল। এছাড়াও ত্বকের নিষ্প্রাণ অংশে যৌবন ফিরিয়ে আনার বিশেষ গুণ আছে এই তেলের। ফলে নিয়মিত এই তেলের ব্যবহারে বুড়িয়ে যাওয়া  থেকে অনেকদিন নিজেকে রক্ষা করা যাবে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইটো-নিউট্রন জাতীয় উপাদান আছে। ত্বকে ব্যবহার করলে অন্য অনেক তেলের মতো চিটচিটে ভাব হয় না এই তেলে।

মারুলার তেল : মারুলার তেলে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৯ ও ১০ তেল থাকে। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। এরফলে অতি বেগুনী রশ্মির ফলে ত্বকের ক্ষতি হওয়া অংশের নিরাময় সম্ভব। এছাড়াও ত্বকের ময়েশ্চারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, ব্রণ ও ত্বকের ক্ষতের পরিচর্যায় উপকারী হওয়ার সুনাম আছে এই মারুলা গাছের তেলের। চুলের যত্নেও বেশ উপকারী এই তেল।

ডালিমের তেল :  ডালিমের বিচি থেকে যে তেল পাওয়া যায় তা ত্বকের যত্নে বেশ উপকারী এক উপাদান। প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন তৈরি করে ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডালিমের তেল। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৫, ভিটামিন-কে, সি, বি৬ এবং পটাসিয়াম থাকে এই তেলে। শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চার ফিরিয়ে আনতে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে এই তেল। এছাড়াও দুর্বল ও শুষ্ক চুলের যত্নেও এই তেল ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। সূত্র: এনডিটিভি

পিডিএসও/তাজ