বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

জলবায়ু পরিবর্তন : ঝুঁকিতে দেশের ১৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ

প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১২:১৯ | আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:০৫

অনলাইন ডেস্ক

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও অতিবর্ষণের ফলে বাংলাদেশের ১৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, যা দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৪ ভাগের ৩ ভাগ।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বুধবার সকালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। ‘এশিয়া হটসপটস ইমপ্যাক্ট অব টেমপারেচার পিসিপিটেশন চেঞ্জেস অন লিভিং স্ট্যান্ডার্স’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেন বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি মাথুরা মানি।

সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ জলবায়ু ঝুঁকিতে রয়েছেন, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এর নেতিবাচক প্রভাবে ১৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে এ ঝুঁকি মোট জনসংখ্যার অর্ধেক।

সংস্থাটি আরো জানায়, প্যারিস জলবায়ু সম্মেলনের ঝুঁকি মোকাবেলার বিষয়গুলো যদি না দেখা হয় তাহলে ২০৫০ সাল নাগাদ তাপমাত্রা ২ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে বাড়তে পারে। এখন যা প্রতি বছর এক থেকে দেড় শতাংশ হারে বাড়ছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, জলবায়ু মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। তবে, এ ঝুঁকি মোকাবিলায় আরো পদক্ষেপ নিতে হবে। সরকার গত ১০ বছরে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি এনেছে। আগামীতে সরকার আবারও ক্ষমতায় এলে দেশ উন্নত দেশে পরিণত হওয়া সহজ হবে।

তিনি বলেন, জলবায়ু মোকাবিলায় আমরা অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছি। আমরা ভালো করছি। তবে জলবায়ু মোকাবিলায় কম সুদে আরো ঋণ দরকার। বর্তমান সরকার অনেক ভালো কাজ করছে। এক্ষেত্রে সরকার কিছু ঋণের ব্যবস্থাও করেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি শেখ হাসিনা সরকার আরো একবার ক্ষমতায় আসবে। এক্ষেত্রে আমাদের ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্র হওয়ার যে ভিশন আছে তা পূরণ হতে সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিউমিও ফান, সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ড. সুলতান আহমেদ, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট হাডিন শেফার, বিশ্বব্যাংকের মুখ্য অর্থনীতিবিদ মুথুরা মানি প্রমুখ।

পিডিএসও/হেলাল