দীর্ঘদিন আটকে রেখে গ্র্যামিজয়ী গায়িকাকে ধর্ষণ

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:৩৬ | আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৭:৫৪

অনলাইন ডেস্ক

গ্র্যামি-পুরস্কারপ্রাপ্ত গায়িকা ডাফি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে জীবনের এক কালো অধ্যায়ের কথা জানালেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই দর্শকের চোখের আড়ালে রয়েছেন তিনি। কিন্তু কেন? নিজেকে গুছিয়ে  ফের একবার গানের জগতে, দর্শকের মাঝে নিয়ে আসতে সময় নিয়েছেন তিনি। কারণ, তার শরীরকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলেই দাবি গায়িকার।

দীর্ঘদিন তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এই গায়িকা। এরপর এক সাংবাদিকের সহায়তায় তিনি সেখান থেকে বের হয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপনের চেষ্টা করেছেন। ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবিসহ দীর্ঘ পোস্টে ডাফি ফ্যানেদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।

গত মঙ্গলবার পোস্ট করে ডাফি ফিরে আসার জন্য তার সময় নেওয়ার কারণ বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেছেন, আপনারা ভাবতে পারেন কেন আমি আমার গলা ব্যবহার করিনি নিজের বেদনা প্রকাশের জন্য। আমি আসলে চাইনি পৃথিবী আমার চোখে দুঃখ দেখুক। আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করেছি, আমি কীভাবে গাইব যদি হৃদয়ই ভেঙে যায়। খুব ধীরে ধীরে সে ক্ষতে মলম পড়ল।

তিনি লিখেছেন, এক দশক আগে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল। এরপর ধর্ষকেরা তাকে কয়েক দিন বেঁধে ফেলে রেখেছিল। ৩৫ বছর বয়সী এই ইংরেজ তারকা জানান, সেই শারীরিক ও মানসিক ক্ষত কাটিয়ে উঠতে তার দীর্ঘদিন সময় লেগে গেল। আর এ জন্যই তিনি হঠাৎ ধূমকেতুর মতো জ্বলে উঠে, বিশ্বসংগীতে আলোড়ন ফেলে উধাও হয়ে গিয়েছিলেন।

২০০৮ সালে ডাফির প্রথম অ্যালবাম ‘রকফেরি’ প্রকাশ হয়। গ্র্যামিতে এটি সেরা পপ ভোকাল অ্যালবামের পুরস্কার  পেয়েছিল। তার গান ‘মার্সি’ অসম্ভব জনপ্রিয়তা পায়। এর পর ২০১০-এ প্রকাশিত হয় অ্যালবাম 'এন্ডলেসলি'। যদিও তার পর থেকেই তিনি আর গান গাননি।

পিডিএসও/তাজ