চট্টগ্রামে আইয়ুব বাচ্চুর রুপালি গিটার

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৫:৫৩

বিনোদন প্রতিবেদক

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়ে স্থাপিত হলো প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর রুপালি গিটার।

গতকাল বুধবার সন্ধ্যার দিকে চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন রুপালি গিটারের উদ্বোধন করেন। এরই মধ্য দিয়ে প্রবর্তক মোড়কে ঘোষণা করা হয়েছে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর। এর আগে ঢাকা থাকার পর আবরণ খুলে ফেলায় প্রকাশ্যে এলো প্রয়াত ব্যান্ডতারকা ও গিটার লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চুর রুপালি গিটার। চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়ে এখন এটি দেখা যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিকল্পনাবিদ রেজাউল করিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চুর স্মৃতি সংরক্ষণ ও তার সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে জানানোর লক্ষ্যে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবর্তক মোড় চত্বরে তার ঐতিহাসিক রুপালি গিটারের আদলে রুপালি গিটারের একটি প্রতীক বসানো হয়েছে। এখানে আইয়ুব বাচ্চুর ছবি থাকবে। তার সম্পর্কে তরুণ প্রজন্ম অনেক কিছু জানতে পারবে।’

জানা যায়, প্রয়াত সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর জানাজায় অংশ নিয়ে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আইয়ুব বাচ্চুর স্মৃতি সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার অংশ হিসেবে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবর্তক মোড়কে আইয়ুব বাচ্চু চত্বর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। উল্লেখ্য, আইয়ুব বাচ্চুর বিখ্যাত ‘এই রুপালি গিটার ফেলে এক দিন চলে যাব দূরে বহু দূরে/সেদিন চোখের অশ্রু তুমি রেখো গোপন করে’— গানটিই সেই রুপালি গিটার কিংবদন্তির মূল অনুপ্রেরণা।

দৃশ্যমান রুপালি গিটারটি অদ্ভুত মুগ্ধতা সৃষ্টি করেছে। চলাচলরত মানুষকে বাধ্য করছে ফিরে চাইতে। গিটারকে সঙ্গী করে দেশ হতে দেশান্তরে ছুটে বেড়িয়েছেন এ ক্ষণজন্মা সংগীততারকা। উপহার দিয়ে গেছেন একে একে কালজয়ী সব গান। কলকাতা থেকে নিউইয়র্ক, সিডনি থেকে সাইপ্রাস কত শহরেই না মাতিয়েছেন আইয়ুব বাচ্চু। কিন্তু পৃথিবীর কোনো শহর তাকে টানেনি।

 চট্টগ্রামের একটি স্থানীয় পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘চট্টগ্রাম আমার নাড়ি পোঁতা শহর। এই শহরে আমার মা ঘুমিয়ে আছেন। এই শহরেই আমি ফিরে আসব।’ ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তারকাসুলভ লেবাস ছেড়ে ফিরে আসেন মায়ের কোলে। ২০ অক্টোবর স্টেশন রোডের নগর বাইশ মহল্লা চৈতন্য গলি কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয় এ কিংবদন্তিকে।

 পিডিএসও/তাজ