হলে হলে আজ মুক্তি

‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’—কী আছে তথ্যচিত্রে

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:৫০ | আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:১২

বিনোদন প্রতিবেদক

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত হয়েছে প্রামাণ্যচিত্র ‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’। এ দেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার নামের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী, গণতন্ত্রের মানসকন্যা, দেশরত্ন, জননেত্রীসহ বহু বিশেষণ ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এসব বিশেষণের বাইরেও তিনি একজন মমতাময়ী মা, আদর্শ স্ত্রী এবং সর্বোপরি যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান।

প্রশাসন পরিচালনায় ইস্পাত দৃঢ় কাঠিন্যকে ভেদ করে তিনি একজন মানবিক মানুষ। যিনি টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভ্যানগাড়িতে ঘুরে বেড়ান, নাতনিদের চুলে বেণি করে দেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হুল্লোড় করেন, ছেলের জন্মদিনে বা সুযোগ পেলেই রান্না করেন, পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন আর সহায় হয়ে পাশে দাঁড়ান দুস্থ মানুষের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব মানবিক দিকগুলোই ৭০ মিনিট ব্যাপ্তির এই প্রামাণ্যচিত্রে তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির পরিচালনা করেছেন অ্যাপল বক্স ফিল্মসের পিপলু খান। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) পক্ষে ডকুফিল্মটি প্রযোজনা করেছেন রেদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও নসরুল হামিদ বিপু।

ছবিটি নিয়ে পিপলু খান বলেন, এ ডকুফিল্মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে উপস্থাপন করা হয়নি। এসবের বাইরেও তিনি একজন সাধারণ মানুষ, বঙ্গবন্ধুকন্যা সেটিকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। যার কারণে শেখ হাসিনার চারপাশের মানুষগুলোও ছবিটিতে রয়েছেন চরিত্র হিসেবে।

কাজের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা পেয়েছেন উল্লেখ করে পিপলু খান বলেন, শেখ হাসিনাকে আমি যেভাবে দেখাতে চাই, সেভাবেই কাজটা করেছি। কোনো নিয়মনীতির ছক তৈরি করে দেননি তিনি। যার ফলে কাজটা আমার মনের মতো হয়েছে। যেহেতু শেখ হাসিনা একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সে কারণে ইতিহাসের নানা ঘটনা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ক্ষমতার পালাবদল, ব্যক্তি ও রাজনৈতিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিসহ প্রতিটি বিষয়ে গবেষণা করতে হয়েছে। কাজটি চ্যালেঞ্জিং বলেই পাঁচ বছর সময় লেগেছে।

কাজের প্রাথমিক প্রস্তুতির বিষয়ে পরিচালক বলেন, ১৪ পৃষ্ঠার একটি কনসেপ্ট পেপার ও কিছু সংগীত—এটাকে সঙ্গী করেই কাজটা শুরু করি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দৈনন্দিন কাজের ফাঁক গলে সময় বের করে শুটিং করা হয়েছে। যার কারণে এই দীর্ঘ সময় লেগেছে কাজটি শেষ করতে। আশা করছি, ছবিটি সবার ভালো লাগবে।

এদিকে ডকুফিল্মটিতে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার আবেগঘন কণ্ঠ আর দৃশ্যায়নে ফুটে উঠেছে, এছাড়াও বঙ্গবন্ধুকে ১৯৭৫ সালে নৃশংস হত্যার পর বিষাদপূর্ণ সময় ও দুই বোনের নির্বাসিত জীবন সংগ্রামের চিত্রও এতে দেখানো হবে।

‘হাসিনা : অ্যা ডটারস টেল’ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ করেছেন সাদিক আহমেদ। সম্পাদনা করেছেন নবনীতা সেন এবং সংগীত আয়োজনে সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র।

পিডিএসও/হেলাল