জবি শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় র‌্যাবের দুঃখ প্রকাশ

প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:২৯

জবি প্রতিনিধি

গত বৃহস্পতিবার সায়দাবাদে ফ্লাইওভারে উঠার সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরণ-২ বাসে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১০) মারধর করে। ছয় শিক্ষার্থী মারধরের ঘটনায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রোববার সকাল ৮টায় শিক্ষার্থীদের বাসগুলো ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কস্থ রায়সাহেব বাজার মোড়ে পৌঁছালে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এতে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ও গুলিস্তান-সদরঘাট রুটে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তীব্র ভোগান্তিতে পড়েন সদরঘাট ও মাওয়াগামী যাত্রীরা।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পূর্ব ঘোষণায় ক্যাম্পাসে মানববন্ধনের কথা থাকলেও তারা মানববন্ধন না করে সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করে রাখে। অবরোধ চলাকালীন জবি প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল ও কোতয়ালী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার সাইফুল আলম মুজাহিদের আশ্বাসে ক্যাম্পাসে ফিরে যায় শিক্ষার্থীরা। এরপর প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, র‌্যাবের হামলার বিচার অতিদ্রুত করতে হবে। সুষ্ঠু বিচার না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধের হুশিয়ারি দেন।

এদিকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুুপর সাড়ে ১২টার দিকে র‌্যাব ১০-এর একটি প্রতিনিধিদল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে গত ১২ সেপ্টেম্বরের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য র‌্যাব ১০-এর অধিনায়ক কাইয়ুমুজ্জামান খান আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। র‌্যাব মহাপরিচালকের নির্দেশে র‌্যাব-১০ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং এতে র‌্যাবের সদস্যদের বাড়াবাড়ি পাওয়া গেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নিশ্চয়তা দেন।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামন, প্রক্টর মোস্তফা কামাল, র‌্যাব ১০-এর অধিনায়ক কাইয়ুমুজ্জামান খান, ডিএমপি লালবাগ জোনের ডিসি মুনতাসিরুল ইসলাম এবং এডিসি হুমায়ন কবীর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর, র‌্যাব ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পিডিএসও/হেলাল