একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু

প্রকাশ | ১২ মে ২০১৯, ০৯:৫৪

অনলাইন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসায় শনিবার মধ্যরাত থেকে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আবেদনকারীকে প্রথমে মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক, গ্রামীণ ও মোবাইল ব্যাংকিং শিওরক্যাশ ও বিকাশের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হচ্ছে। টাকা জমা দেয়ার পর ‘কনফার্মেশন’ এসএমএসের ভিত্তিতে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিকালে ওয়েবসাইটটি (http://www.xiclassadmission.gov.bd/) উন্মুক্ত করা হয়। তবে রোববার দুপুরে আবেদন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক জানান, একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির আবেদন কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠান আজ দুপুর ১২টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

সূত্র জানায়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, এবারও তিন ধাপে নেয়া হবে আবেদন। প্রথম ধাপে আবেদন করা যাবে ২৩ মে পর্যন্ত। এই পর্যায়ে আবেদনকারীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ জুন। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করা যাবে ১৯ ও ২০ জুন। ২১ জুনই এদের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে আবেদন নেয়া হবে ২৪ জুন। ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ জুন। ২৭ থেকে ৩০ জুন শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত কলেজে ভর্তি হতে হবে। ১ জুলাই শুরু হবে ক্লাস।

অনলাইনে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি আবেদন করা যাবে। এজন্য নেয়া হবে ১৫০ টাকা। মোবাইল ফোনে প্রতি এসএমএসে একটি করে কলেজে আবেদন করা যাবে। দিতে হবে ১২০ টাকা। কলেজ পছন্দের ঝামেলা দূর করতে এবার প্রথম ধাপের আবেদনের ফল প্রকাশ না করা পর্যন্ত আবেদন তালিকায় কলেজের পছন্দক্রম রদ-বদল করতে পারবে।

পছন্দের কলেজ পাওয়ার পর শিক্ষার্থীদের ভর্তি রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এর জন্য গত বছর ১৮৫ টাকা নেয়া হতো। এবার ১৯৫ টাকা নেয়া হবে। বিলম্ব ফি ৫০ টাকার বদলে ১০০ টাকা ইয়ার লসের জন্য ১০০ টাকার বদলে ১৫০ টাকা ফি নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

নীতিমালায় একাদশ শ্রেণিতে সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি মফস্বল, পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা, ঢাকা ছাড়া অন্যান্য সব মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভূক্ত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার বেশি আদায় করা যাবে না। মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত বা এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় ভর্তি ফি, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৯ হাজার টাকা এবং ইংরেজি ভার্সনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পিডিএসও/হেলাল