কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যকে কটুক্তি করে ক্ষমা প্রার্থনা

প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৯, ১৫:৪৭

জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে কটুক্তি করে অবশেষে ক্ষমা চেয়ে উপাচার্য বরাবর লিখিত পত্র দিয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সিদ্ধার্থ দে।

গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীল-দলের সভাপতি ড. সিদ্ধার্থ দে উপাচার্য বরাবর লিখিত দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

লিখিত ক্ষমার বিষয়টি জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ড. সিদ্ধার্থ দে তার নিজের ভুল বুঝতে পেরে আমার কাছে লিখিত ক্ষমা চেয়েছেন । আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। তিনি আরো জানান, ভবিষ্যতে এমন আর কোন কিছু হবে না বলেও তিনি (সিদ্ধার্থ) বলেছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মো: জালাল উদ্দিন বলেন, অবশেষে যে সিদ্ধার্থ দে তার নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন এজন্য তাকে সাধুবাদ জানাই । তার কথাবার্তা আরও সংযত হওয়া উচিৎ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত ক্ষমার বিষয়টি শুনেছি । তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছেন এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই।

সিদ্ধার্থ দের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে কোন কথা বলতে না চেয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এমনটি হয়েছে।

প্রসঙ্গত , গত ১৭ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ সুজন আলী। পরের দিন ১৮ এপ্রিল বিষয়টি জানতে পারেন সিদ্ধার্থ দে। এতে উপাচার্যের প্রতি ক্ষিপ্ত হন চারুকলা বিভাগের শিক্ষক সিদ্ধার্থ দে। ওই দিন উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত  ছিলেন না। 

নিয়মানুযায়ী উপাচার্যের অনুপস্থিতে ট্রেজারার (ভারপ্রাপ্ত) উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন । চারুকলা বিভাগের শিক্ষক সিদ্ধার্থ দে ট্রেজারারকে ফোন দিয়ে উপাচার্যকে নিয়ে কটুক্তি করেন। একপর্যায়ে উপাচার্যের শহীদ (মুক্তিযুদ্ধে) বাবাকে নিয়েও কটুক্তি করেন।

পিডিএসও/তাজ