জাবিতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ভবন অবরোধ

শিক্ষার্থীদের চাপে বিশেষ পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২১:৫৪ | আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২২:০০

জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা ইকবালের ‘ছাত্রত্ব বাতিল না করা’ ও ‘বিশেষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগদানের’ দাবিতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ ভবন অবরোধ করেছে জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও প্রগতিশীল ছাত্র জোট। 

শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে অবরোধ। পরে দুপুরে উপাচার্যের বাসভবনে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষকদের সাথে উপাচার্যের এক জরুরী সভায় ওই শিক্ষার্থীর বিশেষ পরীক্ষা নেয়ার সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নেয় বিভাগটি। এর ফলে আন্দোলনকারীরাও তাদের অবরোধ তুলে নেন।

জরুরী সভা শেষে জানানো হয়, সায়মা ইকবালের বিশেষ পরীক্ষার ব্যাপারে বিভাগ প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে। তবে পরবর্তীতে তিনি আর কোন বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ পাবেন না।

আন্দোলনকারী ও ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, সায়মা ইকবাল দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২০৫ নং কোর্সে অকৃতকার্য হন। পরবর্তীতে অসুস্থতার কারণে তিনি একই কোর্সে পরবর্তী পরীক্ষায় অংশ নেননি। এজন্য তিনি বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিকট আবেদন করেন। 

১৮মার্চ কোর্সটিতে বিশেষ পরীক্ষা প্রদানের জন্য অনুমতি দেন উপাচার্য। ৫মাস পেরিয়ে গেলেও বিভাগটি তার বিশেষ পরীক্ষা নেয়নি। এছাড়াও দ্বিতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে ২১২ নং কোর্সেও পরপর দুইবার অকৃতকার্য হন তিনি। এই কোর্সেও বিশেষ পরীক্ষার অনুমতি জন্য আবেদন করেন তিনি। উপাচার্য এই কোর্সেও বিশেষ পরীক্ষার মৌখিক অনুমতি দেন। কিন্তু ১৬ আগস্ট বিভাগটির সভাপতি মাহফুজা খাতুন স্বাক্ষরিত এক চিঠি পান সায়মা। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয় সায়মার ২১২নং কোর্সের বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। মাহফুজা খাতুন সায়মার ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে গেছে বলে তাকে জানান।

এ বিষয়ে জানতে দুপুরে বিভাগটির সভাপতি মাহফুজা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মিটিংয়ে আছেন জানিয়ে এক ঘন্টা পরে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে কয়েক দফা ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পিডিএসও/এআই