জাবিতে ‘বঙ্গবন্ধু ও নারী মুক্তি’ শীর্ষক সভা

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০১৮, ২০:১৪

জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু ও নারী মুক্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এ আলোচনা সভার এ আয়োজন করে।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক বাংলাদেশ তথ্য কমিশনের সাবেক কমিশনার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক খুরশীদা বেগম, প্রক্টর শিকদার মো. জুলকারনাইন, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আ. স. ম. ফিরোজ-উল-হাসান, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক এস এম সাদাত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রধান আলোচক অধ্যাপক খুরশীদা বেগম বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জীবদ্দশায় তার ব্যক্তিত্ব যেমন সকলকে আকৃষ্ট করেছে তার মৃত্যুর পর তার ব্যক্তিত্বের গ্রহণযোগ্যতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধু তার ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক সমাজ নির্মাণ করে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উদ্ভুদ্ধ করেছিলেন। তার ব্যক্তিত্বে আকৃষ্ট করে আদিবাসী সম্প্রদায়গুলো বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের সাথে একমত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে একাত্মতা ঘোষণা করেছিলো।

তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণার পর যখন বাইতুল মোকাররমের পার্শ্ববতী একমাত্র অস্ত্রের দোকানে যখন সবাই অস্ত্র নিচ্ছিলো তখন তার পাশের দোকানে থাকা স্বর্ণের দোকান থেকে কোন স্বর্ণ কেউ গ্রহণ করেনি। সেই স্বর্ণমানবগুলোকে তৈরি করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু বাঙ্গালী জাতির কিছু কুলাঙ্গার সন্তানই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। যেটা জাতি হিসেবে আমাদের কাছে লজ্জাজনক।

পিডিএসও/রানা