জাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৮, ১৯:৪১

জাবি প্রতিনিধি

ফেসবুকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক ছাত্রীকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে। এরা হলেন হামজা রহমান অন্তর (নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, ৪১ ব্যাচ), ইশকাত হারুন আকিব (বাংলা বিভাগ, ৪৬ ব্যাচ), জাহিদ হাসান ইমন (আইআইটি, ৪৬ ব্যাচ), মাসুদ রানা (মাইক্রোবায়োলজি, ৩৯ ব্যাচ) ও রনি ভৌমিক (ফেসবুকে ব্যবহৃত নাম)। এদের মধ্যে হামজা রহমান অন্তর শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি। অপরদিকে ভূক্তভোগী ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী। রোববার বিকেলে ভুক্তভোগী ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর ধর্ষণের হুমকিদাতাদের শাস্তির দাবিতে অভিযোগ পত্র জমা দেন।

অভিযোগ পত্রে ওই শিক্ষার্থী উল্লেখ করেন, “গত কয়েকদিন যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি গ্রুপে আমাকে ধর্ষণের হুমকি প্রদানসহ অশালীন ভাষায় আমাকে এবং আমার পরিবারকে কটুক্তিসহ হুমকি প্রদান করা হয়। তাদের নেতৃত্বে রয়েছেন হামজা রহমান অন্তর। তার অনুসারি ইশকাত হারুন আকিব আমাকে প্রস্টিটিউট ঈঙ্গিত করে অশালীন ভাষায় গালি দেন। অপর অনুসারি জাহিদ হাসান ইমন, মাসুদ রানা ও রনি ভৌমিক (পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি) অশালীন ভাষায় আক্রমনাত্মক কথা বলেন। তারা আমার চরিত্র হননের জন্য সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করার হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় আমি আমার সম্ভ্রম ও জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভূগতেছি। আমি হুমকিদাতা এই ৫জনকে প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। তারা ক্যাম্পাসে অবাধে বিচরণ করলে সাধারণ নারী শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় পড়তে পারে। কেননা পূর্বেও তিনি (হামজা রহমান অন্তর) নারী নীপিড়নের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে ৬ মাসের জন্য বহিস্কৃত হয়েছিলেন।”

এ বিষয়ে হামজা রহমান অন্তর বলেন, এটা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার। আমি কাউকে ধর্ষনের হুমকি দেয়নি।

এ বিষয়ে জানতে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চলকে ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।

প্রক্টর সিকদার মো. জুলকারনাইন বলেন, বিকালে অভিযোগ পত্র পেয়েছি। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। আমরা অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠাবো।

পিডিএসও/রানা