আশুগঞ্জে শিশু ধর্ষণের শিকার, অভিযুক্ত গ্রেফতার

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২০, ১৮:৫৭ | আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২০, ১৯:৩০

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবির পাশে অভিযুক্ত লিটন মিয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নয় বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার ওই ঘটনার পর মেয়েটির মা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় অভিযুক্তকে থানায় দেখে শিশুটি চিহ্নিত করলে পুলিশ গ্রেফতার করে।

ওই শিশু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ার চিকিৎসকের পরামর্শে স্থানীয় একজন সাংবাদিক রক্ত দিয়েছেন। আটক হওয়া ধর্ষক হলো কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার মৃত ঈমান আলীর ছেলে লিটন মিয়া (২৮)। পেশায় রিকশাচালক।

জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই শিশুর পরিবার আশুগঞ্জের সোনারামপুর এলাকার একটি চাতালকলে কাজ করে। তাদের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার নীলক্ষি আফানিয়া গ্রামে। বিকেলে চাতালকলের পাশে শিশুটি খেলা করছিল। এ সময় শিশুটির বড় ভাইয়ের বন্ধু লিটন প্রলোভন দেখিয়ে চাতালকলের পাশে নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই শিশুর এক সহপাঠী তার পরিবারকে এসে জানায়, শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় ধান ক্ষেতে পড়ে আছে। এ খবর পেয়ে শিশুটিকে মা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় থানায় ঘোরাঘুরি করতে থাকা লিটনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম ওই শিশুকে রক্ত দেন। 

আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাবেদ মাহমুদ জানান,  শিশুটিকে থানায় আনার পর রক্তপাত দেখে দ্রুত তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পুলিশের কাছে আটক নিজের রিকশা ছাড়ানোর জন্য লিটনও তখন থানায় ছিল। ওই শিশুটি লিটনকে দেখে পুলিশকে জানালে আটক করা হয়। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শিশুটির অবস্থা খুবই খারাপ। তার যৌনাঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। গাইনি কনসালটেন্টের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

পিডিএসও/হেলাল