টেকনাফ ও গফরগাঁওয়ে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ৩

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০১৯, ০৯:২৭

অনলাইন ডেস্ক
প্রতীকী ছবি

টেকনাফে ও গফরগাঁওয়ে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দুই মাদক কারবারিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ময়মনসিংহে বুধবার দিনগত রাত এবং টেকনাফে বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

টেকনাফে হোয়াইক্যং উরুবুনিয়া কাটাখাল এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা দুই মাদককারবারি নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি দেশীয় তৈরি বন্দুক, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও দুটি ধারালো কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ৭ নম্বর ক্যাম্পের সৈয়দ হোসেনের ছেলে মো. সাকের (২২) ও টেকনাফ মুচনী রোহিঙ্গা শিবিরের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে নুর আলম (৩০)।

বিজিবির উপঅধিনায়ক মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান, নাফনদী দিয়ে ইয়াবার একটি চালান প্রবেশের খবরে অভিযানে যায় বিজিবির একটি দল। বিজিবি অবস্থান টের পেয়ে চোরাকারবারিরা গুলি ছুড়লে আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ওই দুজনের মৃতদেহ ও ইয়াবা-অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান মেজর শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার।

এদিকে, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় পাগলা এলাকায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এখলাছ উদ্দিন (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত এখলাছ অটোরিকশাচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে তিনটি ডাকাতি, দুটি মাদক ও একটি হত্যা মামলাসহ আরো মামলা রয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, খবর আসে এখলাসসহ কয়েকজন ডাকাত চাকুয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এরপর ডিবি পুলিশের একটি দল সেখানে যায়। এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে, পুলিশও পাল্টা গুলি করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে এখলাছকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত এখলাছ উদ্দিনের বিরুদ্ধে তিনটি ডাকাতি, দুটি মাদক ও একটি হত্যা মামলাসহ ৬টির বেশি মামলা রয়েছে।

পিডিএসও/হেলাল