কুয়াকাটায় গার্মেন্টস কর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:৫৩ | আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৮, ১৬:৫৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে দিনাজপুরের দুই সন্তানের জননী এক গার্মেন্টস কর্মীকে হোটেলে আটকে রেখে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশের একটি টিম কুয়াকাটা বেঙ্গল গেস্ট হাউজে অভিযান চালিয়ে ওই জিম্মি দশা থেকে তরুণীকে উদ্বারসহ গ্রেফতার করেছে পাঁচ ধর্ষককে। 

সোমবার রাত দশটায় এ ঘটনায় ধর্ষিতা তরুণী বাদী হয়ে পাঁচজনসহ অজ্ঞাত আরো তিন/চার জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আলমগীর (৪২), রুবেল চৌকিদার (৩৫), বেঙ্গল গেস্ট হাউজের ম্যানেজার সাইদুর রহমান সুমন (২৬), তার সহকারী খলিলুর রহমান (৩৫) এবং যমুনা গেস্ট হাউজের ম্যানেজার সাইফুল ইসলাম (৫৭)। আটককৃতদের সবার বাড়ি পটুয়াখালীর মহিপুর থানার বিভিন্ন এলাকায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে মহিপুর থানায় প্রেস ব্রিফিং করেছে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মাইনুল হোসেন।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, জীবিকার তাগিদে ছোট দুই মেয়ে সন্তানকে রেখে ঢাকায় একটি গার্মেন্টেসে কাজ করেন ওই তরুণী। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কুয়াকাটার জনৈক শহীদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শহীদুলের আমন্ত্রনে কুয়াকাটা ঘুরতে এসে তিনি ধর্ষকদের কবলে পড়েন। কৌশলে ধর্ষকরা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কুয়াকাটা বেঙ্গল গেস্ট হাউজ ও যমুনা গেস্ট হাউসে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে। খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করাসহ ধর্ষকদের গ্রেফতার করে।
   
পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মাইনুল হোসেন বলেন, ভিকটিমকে উদ্বার করা হয়েছে। ধর্ষকদের উপযুক্ত বিচারের জন্য সব রকম আইনী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

পিডিএসও/এআই