সোনারগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত, আটক ৬

প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:৪৬

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মোবারক হোসেন (৪০) নামের ১ ডাকাত নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আষারিয়ারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য রহমত উল্লাহ (২৫), বাবু (২২), শরীফ হোসেন (২৮), রানা মিয়া (১৮), হৃদয় মিয়া (১৯), ও  বাবু ওরফে টেরা বাবু (২০) নামে আরো ৬ ডাকাতকে আটক করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। 

বন্দুকযুদ্ধ চলাকালিন সময় সোনারগাঁও থানা পুলিশের সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) নারায়ণ চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল মুমিনুর রহমানসহ ৩ জন আহত হন। আহত দুই পুলিশ সদস্য ও ডাকাতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডাকাত মোবারক হোসেন মারা যায়। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের আষারিয়ারচর ব্রিজের পশ্চিমপাশে একদল ডাকাত মহাসড়কে চলাচলরত বিভিন্ন যানবাহনে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা ৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এসময় ডাকাত দল পালোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত মোবারক হোসেনসহ আরো ৬ ডাকাতকে আটক করা হয়। নিহত ডাকাত মোবারক হোসেন সোনারগাঁ উপজেলার প্রতাবেরচর এলাকার হাজী ইয়াছিন মিয়ার ছেলে। 

আটককৃত অন্যান্য ডাকাত দলের সদস্যরা হলো রহমত উল্লাহ; সে উপজেলার ছয়হিস্যা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে, বাবু চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার করিয়া গ্রামের মৃত কামাল মিয়ার ছেলে, শরীফ মিয়া কাঁচপুর সোনাপুর গ্রামের মৃত মজিবুর ড্রাইভারের ছেলে, রানা মিয়া পটুয়াখালী জেলার দশমিনা থানার আলী হোসেনের ছেলে, হৃদয় মিয়া একই জেলার বাউফল থানার গুলবাগ গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে ও বাবু ওরফে টেরা বাবু উপজেলার ঝাউচর এলাকার আমান উল্লার ছেলে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, নিহত ডাকাত মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁসহ বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা রয়েছে।


পিডিএসও/ এআই