মোস্তফা মনোয়ারের থ্রিলার উপন্যাস ‘ক্যামোফ্লাজ’

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৬:৩০

শিল্প-সাহিত্য প্রতিবেদক
ama ami

অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশ পেয়েছে তরুণ লেখক মোস্তফা মনোয়ারের থ্রিলার গল্প ‘ক্যামোফ্লাজ’। ৫ বন্ধু ও তাদের একটি ধর্ষণবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে এগিয়েছে উপন্যাসের কাহিনী।  

উপন্যাসটির সাথে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের প্রতিশোধের ব্যাপারটা সম্পৃক্ত থাকায় উপন্যাসটা অনেকের নজরে এসেছে। বইটি পাওয়া যাবে অনিন্দ্য প্রকাশের প্যাভিলিয়ন নং ৩ স্টলে। ‘ক্যামোফ্লাজ’ মোস্তফা মনোয়ারের তৃতীয় উপন্যাস। ২০১৭ বইমেলায় প্রকাশ পায় তার ‘বদলে যাবার আগে’ ও ২০১৮ বইমেলায় প্রকাশ পায় তার ‘মন জাংশন’ উপন্যাসটি। 

উপন্যাসটির কাহিনীতে দেখা যায়, নিকিতা, অনিমা, প্রিয়ম, শ্রেষ্ঠ ও তপু। তারা ৫ জন পরস্পরের বন্ধু। ৫ জনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। নিকিতা হালের উঠতি মডেল। তপু বিভিন্ন সংগঠন করে। ‘বিপ্লব কেন্দ্র'-নামে একটা সংগঠন।  অনেকদিন ধর্ষণের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডকে বহাল করতে আন্দোলন করে যাচ্ছে। ৫ বন্ধুর সবারই আছে এমন স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য।

ঘটনাক্রমে তাদের আশ্রয় করে গড়ে ওঠে একটা আন্দোলন। কিন্তু তারা কীসে জড়িয়ে পড়েছে নিজেরাই জানে না।  এমনও নয় যে তারা খুব ইচ্ছা করে জড়িয়ে পড়েছে। বরংবলা যায় জড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়েছে। 

‘কোন ধর্ষকেরই বা বিচার হয় ঠিকমতো? ২০১৭ সালে এই দেশে যে ৩ হাজার নয়শ পঁচানব্বইটা ধর্ষণ হয়েছে তার মধ্যে কয়টার বিচার হয়েছে? আবার এই ধর্ষিতদের মাঝে পঞ্চাশ ভাগের ওপরেই নাকি শিশু।  কী লজ্জা! 

এসব ভাবতে নিজের ভেতরের আত্মাটা কুঁকড়ে যায় অমলেশের, তপুর। অমলেশ নামের লোকটার সাথে থেকে ধর্ষক এবং ধর্ষণের প্রতি তীব্র ঘৃণা জন্মে গেছে তপুর। ধর্ষক মাত্রই হত্যার যোগ্য মনে হয় তপুর কাছে। এভাবেই এগিয়ে যায় উপন্যাস ‘ক্যামোফ্লাজ’-এর কাহিনী। 

পিডিএসও/তাজ