কবিতাই ধর্ম

প্রকাশ : ১৮ মে ২০১৮, ১৫:৪৩ | আপডেট : ১৮ মে ২০১৮, ১৬:০০

ফেরদৌস নাহার

এই যেখানে পাখিরা উড়ে চলে যায়, যেখানে রাত্রির অভিযান আলোর অক্ষরে লেখা থাকে, সেখানে আমার নাম-ঠিকানা লেখা আছে কবিতার রক্তে। বর্ষাধারার ভেজা গন্ধের আগেভাগে। আমাকে কি খুব চেনা মনে হচ্ছে, নাকি খুব প্রাচীন? আমি এসেছি সন্ন্যাস বেশে, গেরুয়া রঙের উল্লাস গায়ে মেখে। দুহাতে সাঁতার কাটতে কাটতে। আমার দম পরীক্ষা হয়ে গেছে। এই দূরপাল্লার যাত্রায় আমি দমের খেলায় বারবার মৃত্যু নাড়াচাড়া করেছি। আর তখন অনেকেই ‘কবি’ বলে সম্বোধন করেছে। এই সম্বোধনে আমি চমকে উঠি! বলে কী! আমি কি আসলেই এই সম্বোধনযোগ্য! খুব সংকোচ হয় ‘কবি’ বলে ডাক দিলে। এত কঠিন প্রান্তর, এত ক্ষয়িষ্ণু পথচলা, তার সঙ্গে এই নরম শব্দটি মানায় না। তারচেয়ে যোদ্ধা বা লড়াকু, জুয়াড়ি অথবা বাজিকর—এমন সব শব্দের কাছাকাছি কিছু একটা হলে বোধহয় স্বস্তিকর হতো।

যদি বলি কবিতারা ভাবনায় আসে, মিশে থাকে প্রাণের গভীরে। হয় না, পুরোপুরি বলা হয় না। তাকে টেনে বাইরে বের করা আনার যন্ত্রণাদগ্ধ যাত্রায় বারবার ক্ষয়ে যেতে যেতে ভেবেছি, আমি কি আমার থেকে ছিন্ন হয়ে কবিতাকে নাড়াচাড়া করে নিজেকে বলতে যাচ্ছি। ভাবছি কি কিছু অতল অথচ অসমাপ্ত বাক্য, গড়তে চাচ্ছি কি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ডকুমেন্ট! এই আত্মঘাতী প্রান্তরে কে ডেকে নিয়ে এলো! কেন শুনতে চেয়েছে, ধর্ম থেকে জেগে ওঠা মৃদঙ্গের বোল, স্বর্গ থেকে বিচ্ছিন্ন হবার অনন্ত উচ্চারণ! পাখি আমি, উড়ে যাওয়া ছাড়া আমার তো আর কোনো সাধন-ভজন ছিল না! উঁচু পাহাড়ের ওপর দিয়ে ভেসে বেরানো মেঘই আমার ঠিকানা। এসব কিছু নিয়ে একটি ধর্মগ্রন্থ লিখব বলে নিজেকে প্রতিদিন তৈরি করি।

‘পাখিদের ধর্মগ্রন্থে আমার নাম লেখা আছে/তুমি বলেছ, উড়ে যাবার হয়েছে সময়/পাখিরা দাঁড়িয়ে আছে, ওঠো!/প্যাটরা তুলে নাও কাঁধে/আমাদেরও যেতে হবে পাখিদের সাথে।’ চেতনা খুঁড়ে খুঁড়ে এক একটি পাখি যায় দূর আকাশের দিকে। কষ্ট পাওয়ার এমন স্বনির্ভর পাটাতন, ভালোবাসার এমন প্রত্যয়ী উদ্যাপন ও বেঁচে ওঠার এমন ঋজু অন্মেষণ—কবিতা ছাড়া আর তো কিছুতে মেলেনি। তাই কবিতাই আমার ধর্ম। তাকে নিয়ে কী আর বলব, সবসময় কষ্ট দিয়েছে, দিচ্ছে এবং দেবে। কষ্ট-প্রণয়ে জেগে থাকতেই ভালো লাগছে। মহৎ কিছু করে ফেলার জন্যে তো কবিতা লিখি না, ওকে লিখি নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে। নিঃশ্বাসের গাঢ় আলিঙ্গনে, আড়মোড়া ভেঙে যেন প্রতিবার বলে ওঠা—তাহলে বেঁচে আছি! আহা এই যে বেঁচে থাকা তার অন্তরালে কত ছবি কত দৃশ্য, কত শত কথা, কত যে নগ্নতা, কত দংশন, কত না চিৎকার—সব গছিয়ে দিচ্ছি কবিতার বুকে। সে আমাকে খুঁড়ে খাবে না তো কে খাবে?

আমি রাক্ষসের বত্রিশ পাটি দাঁত রথের মেলায় বেঁচতে এসে কবিতাকে মূদ্রা করি। মনে মনে বলে উঠি, বেশ করেছি! কবিতাকে কি তাহলে ফেরি করছি? সে কবে দ্রব্য হলো! কেনা-বেচার পৃথিবীতে তাকে কেমন করে পণ্য করেছি—মাঝে মাঝে তা-ও ভাবি বৈ কী। মাথায় করে হাঁক দিয়ে ডেকেছি এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, ‘চাই কবিতা... চাই ছোট বড় মাঝারি, যেকোনো মাপের কবিতা...।’ কবিতাগুলো তখন পাঁজরের হাড় ধরে আমার সেই হাঁক-ডাক শুনেছে। যেন কারাগারে বন্দি কয়েদি তারা। ফাঁসির হুকুম শোনাতে ওদেরকে বয়ে বয়ে নিয়ে বেড়াই। আমার মাঝে আমার আত্মহত্যা কিংবা বেঁচে থাকা যুগপৎ কবিতার প্যারাস্যুট নিয়ে দিব্যি নেমে পড়ছে ভবলীলার মাঠে, আর নেমেই দাঁত বের করে হাসছে। বলছে, দেখো ভাবনার অনিবার্য উন্মাদ আমি, প্রত্ন-প্রণয়ের রক্তাক্ত রণাঙ্গন। হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়া কিংবা যা কিছু ভাবনা সব আমি... অধিশ্বর, ক্ষুদ্র, বৃহৎ সব সব সব, আমিই চরম!—এসবই হয়তো আমার লেখার মূল সুর অথবা অজানা অ-সুর।

‘যে যার মতো করে বৃত্ত রচনা করে হাজার বছর/কেউ জানে না কোথায় বা কার ছায়া ডুবে গেছে/ঘুম-জাগরণের নেশায় ঘেমে ওঠে দেহ/কেঁপে ওঠে অন্ধকার ভীষণ চমকে ওঠা সাথে/স্বপ্নেরও শামুক থাকে, তাতেও পা কাটে মাঝে মাঝে/চল যাই রঙ্গের বাজার ঘুরে আসি/রেখে আসি কিছু মূদ্রা নমশূদ্র অভিমানে।’


নিঃশ্বাসের গাঢ় আলিঙ্গনে, আড়মোড়া ভেঙে যেন প্রতিবার বলে ওঠা—তাহলে বেঁচে আছি! আহা এই যে বেঁচে থাকা তার অন্তরালে কত ছবি কত দৃশ্য, কত শত কথা, কত যে নগ্নতা, কত দংশন, কত না চিৎকার—সব গছিয়ে দিচ্ছি কবিতার বুকে। সে আমাকে খুঁড়ে খাবে না তো কে খাবে?


একটি জীবন। একটি যাত্রা। একটি আর্তনাদ। রোদ-ঝড়-বৃষ্টি খরায় একাকার হতে হতে জানিয়ে দিয়ে যায়, কবিতার সঙ্গে জীবনযাপন চেয়েছ—এত বড়ো সাহস তোমার আসে কোথা থেকে! সারাক্ষণ যেন তারকাঁটার বেড়ার সঙ্গে লেপ্টে থাকা। যে কোনো সময় বেমক্কা ঠ্যাঁ ঠ্যাঁ ঠ্যাঁ... বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া অথবা নিশ্চুপ অন্ধকারে আলোর জন্য চুপচাপ প্রতীক্ষা করে যাওয়া। আর এসবের জন্যে উচ্চারিত মন্ত্রগুলোই আমার কবিতা। আমি তাকে নিয়ে ভাবনার গহ্বর থেকে একঝাঁক সোনালি চিলের উড্ডীনতাকে নিয়ে আসি। এভাবেই একদিন আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আরো দূর উত্তরে। আমি পথ হাঁটি, সেও আমার সঙ্গে হাঁটে, কথা বলে। কত না স্মৃতি ও বর্তমান ভাগাভাগি করে নিয়ে ঘুরে বেড়াই দুজন। উতল হাওয়ার কাঁধে ভর করে যেতে যেতে বলি, ‘শুনছ, এটা লেক অন্টারিও। দেখতে পাচ্ছ কী গভীর নীলের জল!’ আমার কথা শুনে সে যেন একটু কেঁপে ওঠে! অন্টারিও লেকের পাড়ে জলের আকুলতা দেখতে বসে থাকি হারবার্ডফন্টের ডেকে। কতজন চারপাশে, কত কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি কেবল বসে থাকি কবিতার হাত ধরে। ভালো লাগে তার দিকে একঠাই তাকিয়ে থাকতে। দীর্ঘস্থায়ী এক ঘণ্টাধ্বনি শুনতে পাই। লেক-শোর বোলেভার্ডের আশপাশের কোনো জলতরঙ্গ থেকে ধেয়ে আসছে বাতাস। সাদা রঙের নৌকোগুলো নানা রঙের পাল উড়িয়ে ভাসছে, ঠিক যেভাবে কবিতারা ভাসে আমার ভেতর।

জীবনের ওপর দিয়ে বয়ে চলা অসম্ভবকে সম্ভব করার কারসাজি ঘটিয়ে যায় সে। কবিতা, মনে মনে বলি—আমিও কি কম চালাক, ঠিক ঠিক বুঝে ফেলি তোমার এই ষড়যন্ত্র! তুমি আমার হাতে আমাকে খুঁড়ে দেখার অস্ত্র তুলে দিয়েছ। আমাকে নেশাগ্রস্ত করার যাবতীয় বন্দোবস্ত করেছ সোমরস আচ্ছাদনে। শৈশবের পথ ভুল করা পথ, প্রেমের বিষাদ সিন্ধু অতিক্রমের দিন, মাটির নিচে বেড়ে ওঠা শিকরের নিঃশ্বাস—সব এক এক করে মনে করিয়ে দেয় আমার কবিতা ভাবনার ভাবনাগুলো। আমি কি খুব অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছি কিংবা বাঁধভাঙা? রং-তামাশার পৃথিবীতে এত যে কেচ্ছা সব নিমেষে জলপ্রপাত হয়ে যায়। তখন বুঝি কবিতা ছাড়া আমার আর কোনো তরণি নেই। আমি পথহারা। সে-ই আমাকে পথ কেটে দেয়, আগলে রাখে।

‘এমনই একটা দূরত্বে চাদর উড়িয়েছিল/আলেয়ার মাঝে সেও জ্বলছিল খুব/আশোক ডালে উচ্চমাধ্যমিক পাখি/দৈনিক এসে বসে, সবই নিরেট স্মৃতি/আমাদের দিনরাত্রিগুলো বিপরীতে হেঁটে হেঁটে/বেহেড মাতাল হয়ে টলে যাচ্ছে/হাতে হাত নেই, দাঁড়িয়েছে একাকী তেপান্তর।’

রঙিন কোনো দিনে আরো বেশি রং মাখতে বেরিয়ে পড়ি প্রান্তরে প্রান্তরে। হাতে ধরে থাকি কবিতা প্রহর, ভেতরে তখন নড়ে ওঠে লৌহ কপাট ভাঙার শব্দ। প্রকৃতির কাছে কিছু চাইতে যাই, মানুষের কাছে কিছু...। সেই কষ্টসাধ্য প্রেমান্ধ কবিতা লিখিয়ে, হাজারো না-পাওয়ার পরও কবিতাকেই জীবনের সঙ্গে বেঁধে নেওয়ার আপ্রাণ ভালোবাসায় ডুবে যেতে যেতে কেঁদে ফেলা। রুজ রিভার বিচে এসে থমকে দাঁড়াই! জলদস্যু ঢেউ এসে একে একে ঝাঁপিয়ে পড়ছে তীরে। ওরা আমাকে ধরে নিয়ে যাবে ওদের সঙ্গে, এইবেলা ছাড়াছাড়ি নেই। আমিও চললাম ওদের সঙ্গে। এক লহমায় সবকিছুকে বিদায় জানাতে এতটুকু দ্বিধা হলো না।

কবিতা যে এক ধরনের অহংকার, সে যেন বুঝে নিলাম একটু তাড়াতাড়িই। আর সে যে অন্য আর সব শিল্প থেকে আলাদা—সে কথাটিও। তার দিকে তাকালে প্রতিবার মনে হয়, যেন বয়ে চলছে উদাস হাওয়ার পথিক, ভেসে চলছে জলধারায় বাহক। টলটলে জল বা দেখতে না পাওয়া বাতাস, সব কিছুতেই লেগে থাকে শব্দলোকের অলৌকিক মেলবন্ধন, চারুময় অহম। তা থেকেই একদিন এই জগতের খবর পেয়ে যাই ঘুম ভাঙার আগেই। আমি তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে তুলে নিই আপন থলেতে। সে সেখানে চুপটি করে বসে বসে তার গাঁথুনি গাঁথে। কবির জীবন থেকে কবিকে তুলে নিয়ে এঁকে দেয় তিলক-চন্দন। যজ্ঞমন্ত্র উপাসনায় আর কিছু নয়, একমাত্র কবিতাই হয়ে ওঠে সব মন্ত্রের উচ্চারণ। কবিতা বলে বলেই আমি আমার উদ্দীষ্ট প্রান্তরের উদ্যাপন সাজাই। মহাজগতের জাগতিকতার প্রতিধ্বনি বুকে করে আরেকটি পৃথিবীর ধ্বনি শুনে যাই, শোনাই। তার প্রতি প্রবল পক্ষপাতিত্বে একাকার হয়ে যাই। এই কি তবে কবি-পৃথিবীর নিঃশব্দ অভিজানের সশব্দ উচ্চারণ! এই কি আমার ক্ষরণ শেষের আত্মসমর্পণ!

‘সে-বসন্তে লালজামা গায়ে সবুজ গাছেদের দিকে তাকিয়ে/আন্দামানে উড়ে যাওয়া নির্বাসিত পাখিগুলো বলেছিল—/সব ফাঁকি! জলের ছায়া হাসে, হাসতে হাসতে মায়া বাড়ে/মায়া থেকে উঠে দাঁড়ায় অজানা নৈঃশব্দ্য, ভেসে আসে হুইসেল/প্রতিবিম্বের অনুবাদ বারবার বলে, দেখে নাও আরো একবার/নির্জন ওয়েটিং রুমে কিছু ফেলে গেলে কিনা।’

প্রতিনিয়ত নিমগ্ন মগ্নতায় একটি টানা অন্তহীন সুরঙ্গের ভেতরে প্রবেশ করার বাসনা আমাকে দ্বন্দ্ব ও রহস্যময়তায় টেনে নিয়ে যায়। এখান থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায়ই এই কবিতা ভ্রমণ। বারবার টোকা দেই নিজের স্বপ্ন দরজায়, জেগে আছ? নেশা লাগা কণ্ঠে বলে ওঠে, আছি আছি ঘোরলাগায় ডুবে আছি, তোমাকে গ্রাস করার প্রতিজ্ঞায় এখনো জেগে আছি!

ঘোর অন্ধকার একটি টানেলের ভেতর দিয়ে স্ট্রিটকার এসে পড়ল আলো ধরা রাস্তায়। ট্রামস্টপে নেমে পড়তে পড়তে তাকিয়ে দেখি, এত লোক আমার পাশাপাশি এখানে এসে পৌঁছেছে, আমরা হাঁটছি, আমাদের সামনের যাত্রা হবে জল ভরা প্রন্তর। আমার কবিতার আত্মা তাতে শান্তি পায় না। সে ছটফট করে মরে, ফরমায়েশের ধার ধারে না। জেগে ওঠে আপন খেয়ালে, নিজস্ব আর্তনাদে, দ্বন্দ্ব ও অপ্রাপ্তিতে। এভাবে জল-প্রকৃতির অন্তরালে কবিতার বোঝাপাড়া হয়ে যায়, হার্বারফন্টের উপকূল থেকে সম্পূর্ণ উত্তর ঘিরে। যেখানে আমি জন্ম নিইনি, কিন্তু জন্ম দিয়েছি অনেকগুলো কবিতাকে। যেখানে জন্ম নিয়ে, কবিতাকে প্রথম চিনেও সবকিছু রেখে চলে এসেছিলাম। ফেলে আসার নিচ্ছিদ্র বেদনায় হাহাকার করে ছিলাম। এখানে এখন এই নতুন দেশ আমাকে আচ্ছাদিত করে রাখে, হাত বুলিয়ে দেয় কবিতার নামে, বেঁচে থাকার মন্ত্রে।

সেই গল্পটি, সত্যিকারের সে-ই জীবনের গল্পটি ঘুরে ফিরে মনে পড়ে- কুড়ি বছর কোনো গদ্য প্রকাশ করিনি শুধু কবিতার পরিচয়ে পরিচিত হব বলে। নিশিথ রাতের যাত্রা শেষের রক্তাক্ত পাখি হব বলে। একটি কবিতাঘর, যার দেয়ালের ভেতর-বাহির ঘিরে থাকবে আমার সবটুকু স্বপ্ন, আরাধনা এবং জেগে ওঠা। যা নিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে অন্তর্নিহিত একান্ত ভাবনাগুলো। সেই আরাধ্য সাধনের পারাপারে এক বিষণ্ন পথচলায় বারবার মনে হয়েছে, আর কিছু নয়, কবিতাই আমার ধর্ম।

‘পাহাড় ডিঙিয়ে উঁচু উঁচু ব্লাফার্সের ধার ঘেঁষে/কতদিন ও রাত্রির অভিযান শেষে/আমরা থেমেছি মেহিকান প্রাচীন আকাশে/আমার যে মাটিতেই ভালো লাগে, কেন যে/পাখিদের ধর্মগ্রন্থে নাম লেখা থাকে।’

[সবগুলো কবিতা ফেরদৌস নাহারের ‘পাখিদের ধর্মগ্রন্থ’ থেকে নেওয়া]

পিডিএসও/হেলাল